সংবাদ শিরোনাম
বাঁশখালীতে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও অগ্নিনির্বাপক মহড়া অনুষ্ঠিত; বটিয়াঘাটায় আইসিসিএপি প্রকল্পের সভা অনুষ্ঠিত। তাহিরপুরে ইয়াবা ও চোরাই ভারতীয় বিড়িসহ ৪ জন গ্রেফতার বৌলাই নদীতে ড্রেজার বন্ধে অভিযানে ম্যাজিস্ট্রেটের সহযোগীর উপর হামলা ড্রেজার সিন্ডিকেটের; এতিমদের সাথে ইফতার ও ঈদের পোশাক বিতরণ: হাজী মনু মিয়া এতিমখানায় দোয়া মাহফিল মানবাধিকার প্রেসক্লাব ও অধিকার প্রতিদিন পত্রিকার ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বাঁশখালীর ইউএনও জামশেদুল আলম বদলি, দায়িত্বকালজুড়ে আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নে প্রশংসিত ভূমিকা; শ্রীমঙ্গলে শিক্ষক সমিতির দোয়া ও ইফতার মাহফিল, তিন শতাধিক শিক্ষকের উপস্থিতি; ​আর্তমানবতার অকুতোভয় সেনানি: কুমিল্লার জাবের হোসাইন ও এক ‘অদম্য’ উপাখ্যান জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবসে সৈয়দপুরে র‍্যালি ও অগ্নিকাণ্ড–ভূমিকম্প বিষয়ক মহড়া
বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ০৪:১৯ পূর্বাহ্ন

গোদাগাড়ীতে একের পর এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগে জড়িত ফারুক চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আফতাব উদ্দিন আন্ঠু

রিপোর্টারের নাম / ৩৫২ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: শনিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিনিধি

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার ৭নং দেওপাড়া ইউনিয়নের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আফতাব উদ্দিন আন্ঠু’র বিরুদ্ধে উঠেছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাবেক এমপি ফারুক চৌধুরীর প্রত্যক্ষ নির্দেশে আন্ঠু ২০১৮ সালের একতরফা নির্বাচনে নিজ কেন্দ্র দখল করে জাল ভোট ও সিল মেরে বিজয় নিশ্চিত করেন। নির্বাচনী গণতন্ত্রকে পদদলিত করে এভাবে ক্ষমতায় আসার বিষয়টি আজো এলাকাবাসীর মনে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি করে রেখেছে।

শুধু নির্বাচন নয়—আন্দোলন সংগ্রামের সময়ও তার বিরুদ্ধে রয়েছে ভয়ঙ্কর অভিযোগ। ছাত্র আন্দোলনের সময় প্রতিবাদরত তরুণদের দমন করতে তিনি প্রকাশ্যে অস্ত্র হাতে নিয়ে মাঠে নামেন এবং বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখে ধুলো দিয়ে দিনের পর দিন এসব কাজ চালিয়ে গেছেন তিনি।

সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর অভিযোগটি আসে তার নিজ গ্রাম নিমতলা থেকে। অভিযোগ রয়েছে, ফারুক চৌধুরীর নির্দেশেই আন্ঠু সেখানে ৪৩টি মহিষ ছিনতাই করেন। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা এখনো ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত।

কিছু প্রভাবশালি বিএনপি নেতাদের সহযোগিতায় তিনি এখনো ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে বহাল আছে। স্থানীয়রা দাবি করছেন, এমন ব্যক্তির ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারে বসে থাকার ন্যূনতম নৈতিক অধিকার নেই। প্রশাসনের কাছে এলাকাবাসীর জোর দাবি—বিষয়গুলো তদন্ত করে দ্রুত আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হোক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর