সংবাদ শিরোনাম
বাঁশখালীতে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও অগ্নিনির্বাপক মহড়া অনুষ্ঠিত; বটিয়াঘাটায় আইসিসিএপি প্রকল্পের সভা অনুষ্ঠিত। তাহিরপুরে ইয়াবা ও চোরাই ভারতীয় বিড়িসহ ৪ জন গ্রেফতার বৌলাই নদীতে ড্রেজার বন্ধে অভিযানে ম্যাজিস্ট্রেটের সহযোগীর উপর হামলা ড্রেজার সিন্ডিকেটের; এতিমদের সাথে ইফতার ও ঈদের পোশাক বিতরণ: হাজী মনু মিয়া এতিমখানায় দোয়া মাহফিল মানবাধিকার প্রেসক্লাব ও অধিকার প্রতিদিন পত্রিকার ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বাঁশখালীর ইউএনও জামশেদুল আলম বদলি, দায়িত্বকালজুড়ে আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নে প্রশংসিত ভূমিকা; শ্রীমঙ্গলে শিক্ষক সমিতির দোয়া ও ইফতার মাহফিল, তিন শতাধিক শিক্ষকের উপস্থিতি; ​আর্তমানবতার অকুতোভয় সেনানি: কুমিল্লার জাবের হোসাইন ও এক ‘অদম্য’ উপাখ্যান জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবসে সৈয়দপুরে র‍্যালি ও অগ্নিকাণ্ড–ভূমিকম্প বিষয়ক মহড়া
বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ০৬:৪৫ পূর্বাহ্ন

সুনামগঞ্জে বিজিবির অভিযানে আটক ৩২টি ভারতীয় গরু ও নৌকা

স্টাফ রিপোর্টার: / ১০৬ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: রবিবার, ৩ আগস্ট, ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার

সুনামগঞ্জের সীমান্তে ২৮ বিজিবি একটি সফল অভিযান পরিচালনা করে ৩২টি ভারতীয় গরু ও একটি স্টিলবডি নৌকা আটক করেছে। শনিবার ভোর রাতে তাহিরপুর ও দোয়ারাবাজার সীমান্ত এলাকা থেকে এই গরুগুলি আটক করা হয়। বিজিবি সূত্র জানায়, তাহিরপুর উপজেলার ১নং উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নের বীরেন্দ্রনগর বিওপির সীমান্ত পিলার ১১৯২/৩-এস থেকে আনুমানিক ৫০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কচুয়াছড়া এলাকা থেকে ১৮টি ভারতীয় গরু আটক করা হয়। আটক গরু ও নৌকার সিজার মূল্য ২০ লক্ষ চল্লিশ হাজার টাকা।

অন্যদিকে, দোয়ারাবাজার উপজেলার ১নং বাংলাবাজার ইউনিয়নের বিওপি সীমান্ত পিলার ১২৩০/এমপি থেকে আনুমানিক ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ইসলামপুর এলাকা থেকে ১৪টি ভারতীয় গরু আটক করা হয়, যার সিজার মূল্য ৯ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা। ২৮ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল একেএম জাকারিয়া কাদির জানান, ঊর্ধ্বতন সদর দপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী সীমান্তে নিরাপত্তা রক্ষা ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আটক করা স্টিলবডি নৌকাসহ ভারতীয় গরুগুলি শুল্ক কার্যালয়, সুনামগঞ্জে জমা করার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এছাড়া, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা একেএম শাহজাহান কবির জানান, পান দীর্ঘমেয়াদি কাঁচা ফসল হওয়ায় এর দাম ওঠানামা করে। বর্ষাকালে বরজে পানের উৎপাদন বেশি হয়, ফলে বাজারে সরবরাহ বৃদ্ধি পায় এবং দাম কিছুটা কমে যায়। তিনি বলেন, পান চাষ লাভজনক ফসল হওয়ায় কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। বর্ষা মৌসুম শেষে কৃষকরা পানের ন্যায্য দাম পেলে লোকসান পুষিয়ে নিতে সক্ষম হন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর