সংবাদ শিরোনাম
নারী উদ্যোক্তাদের উন্নয়ন শীর্ষক আলোচনা সভা ও স্বপ্নজয়ী নারী সম্মাননা ২০২৬ প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত জামালপুরের বকশীগঞ্জে মিনি ম্যারাথন অনুষ্ঠিত হয়েছে চরম্বা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চান আইনজীবী শফিকুল আলম (লিটন) সুরঝংকার একাডেমির সভাপতির মাতার মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বাংলা নিউজ মিডিয়ার কর্ণধার সোহেল সরকারের বড় ছেলে সালমান সরকারের ৪র্থ জন্মবার্ষিকী উদযাপিত বিএনপির ক্যাডাররা নিজেদের দলের লোকদেরও হত্যা করছে: নাহিদ ইসলাম সুনামগঞ্জ-বিশ্বম্ভরপুর সড়কে ৮৭ কোটি টাকার কাজে অনিয়মের অভিযোগ, পরিদর্শনে এমপি নুরুল ইসলাম সীমান্তের অবৈধ বিড়ি বাণিজ্যে কারা জড়িত, অনুসন্ধানের দাবি কবি আবুল বশর আনসারীর লেখনীতে সিলেটের শেকড়ের প্রতি গভীর মমত্ববোধ ফুটে উঠেছে: চিত্রনায়ক হেলাল খান প্রবাসে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক অধ্যাপক আবুল হাশেমকে শেষ বিদায়: বৃটেন কমিউনিটির শোক
শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২৮ পূর্বাহ্ন

সুনামগঞ্জে বিজিবির অভিযানে আটক ৩২টি ভারতীয় গরু ও নৌকা

স্টাফ রিপোর্টার: / ২২২ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: রবিবার, ৩ আগস্ট, ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার

সুনামগঞ্জের সীমান্তে ২৮ বিজিবি একটি সফল অভিযান পরিচালনা করে ৩২টি ভারতীয় গরু ও একটি স্টিলবডি নৌকা আটক করেছে। শনিবার ভোর রাতে তাহিরপুর ও দোয়ারাবাজার সীমান্ত এলাকা থেকে এই গরুগুলি আটক করা হয়। বিজিবি সূত্র জানায়, তাহিরপুর উপজেলার ১নং উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নের বীরেন্দ্রনগর বিওপির সীমান্ত পিলার ১১৯২/৩-এস থেকে আনুমানিক ৫০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কচুয়াছড়া এলাকা থেকে ১৮টি ভারতীয় গরু আটক করা হয়। আটক গরু ও নৌকার সিজার মূল্য ২০ লক্ষ চল্লিশ হাজার টাকা।

অন্যদিকে, দোয়ারাবাজার উপজেলার ১নং বাংলাবাজার ইউনিয়নের বিওপি সীমান্ত পিলার ১২৩০/এমপি থেকে আনুমানিক ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ইসলামপুর এলাকা থেকে ১৪টি ভারতীয় গরু আটক করা হয়, যার সিজার মূল্য ৯ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা। ২৮ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল একেএম জাকারিয়া কাদির জানান, ঊর্ধ্বতন সদর দপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী সীমান্তে নিরাপত্তা রক্ষা ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আটক করা স্টিলবডি নৌকাসহ ভারতীয় গরুগুলি শুল্ক কার্যালয়, সুনামগঞ্জে জমা করার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এছাড়া, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা একেএম শাহজাহান কবির জানান, পান দীর্ঘমেয়াদি কাঁচা ফসল হওয়ায় এর দাম ওঠানামা করে। বর্ষাকালে বরজে পানের উৎপাদন বেশি হয়, ফলে বাজারে সরবরাহ বৃদ্ধি পায় এবং দাম কিছুটা কমে যায়। তিনি বলেন, পান চাষ লাভজনক ফসল হওয়ায় কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। বর্ষা মৌসুম শেষে কৃষকরা পানের ন্যায্য দাম পেলে লোকসান পুষিয়ে নিতে সক্ষম হন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর