সংবাদ শিরোনাম
দৈনিক আমার কাগজ-এ নিয়োগ পেলেন তৈয়বুর রহমান। বটিয়াঘাটায় ‘গণভোট ২০২৬’ বিষয়ক জনসচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত। দৈনিক বর্তমান বাংলা’র মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি হিসেবে স্বরণ সিং নিয়োগপ্রাপ্ত। খানখানাবাদে গণভোট বিষয়ে গণসচেতনতামূলক প্রদর্শনী ও লিফলেট বিতরণ। টানা তৃতীয়বার শ্রেষ্ঠ এএসআই নির্বাচিত পেকুয়ার সন্তান আবদুল খালেক। প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা মোয়াজ্জেম হোসেন মাসুদের স্মরণে দোয়া মাহফিল করেছে বন্ধুমহল। বিএনপির মনোনয়ন দৌড়ে শেষ পর্যন্ত জয়ী কামরুজ্জামান কামরুল। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। দেশবরেণ্য নেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণসভা করল চট্টগ্রাম সাংবাদিক সংস্থা রাজাবাড়িতে বিএনপির কর্মীদের উদ্যোগে বিএনপির চেয়ারপার্সন সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল
সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:১৩ অপরাহ্ন

গোদাগাড়ীর চাঁপাল দোতরাবোনা গ্রামের রাজ ভাটায় মাসে লাখো টাকার চাঁদাবাজি, নীরব প্রশাসন

রিপোর্টারের নাম / ৫৫ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: রবিবার, ৪ জানুয়ারী, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার ৭ নম্বর দেওপাড়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের চাঁপাল দোতরাবোনা গ্রামে অবস্থিত রাজ ভাটাকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী চাঁদাবাজি চক্র সক্রিয় রয়েছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, আওয়ামী লীগ ও বিএনপির বিভিন্ন গ্রুপের ২৫ থেকে ৩০ জন ব্যক্তি মিলে প্রতি মাসে ভাটা মালিকদের কাছ থেকে কয়েক লাখ টাকা তুলে নেয়।

ভাটার মালিকদের অভিযোগ, বালি বা মাটি ভরাট করা প্রতিটি গাড়িতে ১০০ টাকা, ইট বের করার সময় ট্রলি প্রতি ১০০ টাকা এবং মাহিন্দ্রা গাড়িতে ১০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত দিতে হয়। কয়লার গাড়ি ভাটায় প্রবেশ করলে চাঁদা বেড়ে দাঁড়ায় ৫০০থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত। সব মিলিয়ে প্রতি মাসে এই অবৈধ চাঁদার পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৩ থেকে ৬ লাখ টাকা।

রাজ ভাটার মালিক মো. আশরাফুল ইসলাম জানান, তিনি একাধিক ভাটা পরিচালনা করলেও শুধু এই ভাটাতেই নিয়মিত চাঁদা দিতে বাধ্য করা হয়। না দিলে গাড়ি বন্ধ করে দেওয়া, শ্রমিকদের কাজে বাধা দেওয়া এবং বিভিন্ন ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনা ঘটে। আশরাফুলের দাবি, চারজন নির্দিষ্ট ব্যক্তি নিয়মিত এসে টাকা তুলে নিয়ে যায়।

তিনি আরও বলেন, এই ভাটায় প্রতিদিন ৭০ থেকে ৮০ জন শ্রমিক কাজ করেন। সব মিলিয়ে প্রায় ১০০ জনের জীবিকা এই ভাটাকে ঘিরে। অসুস্থতা, বিয়ে বা সামাজিক অনুষ্ঠানে ভাটা থেকে সহযোগিতাও করা হয়। তবু চাঁদাবাজরা কাউকে ছাড় দেয় না।

স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, বিএনপির প্রায় ১৮ জন এবং আওয়ামী লীগের ৮ জনসহ মোট ২৫ থেকে ৩০ জন ব্যক্তি এই চাঁদার অর্থ ভাগ করে নেয়। টাকা না দিলে অকথ্য ভাষায় গালাগালি, হুমকি এবং ভাটা বন্ধ করে দেওয়ার ভয় দেখানো হয়। ভাটার বৈধ কাগজ পত্র না থাকায় ভাটার মালিক পক্ষ চাঁদা দিয়ে ব্যাবসা চালিয়ে যাচ্ছেন।

গোদাগাড়ীর বৃহৎ এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এই ভাটার কর্মকাণ্ডকে ঘিরে এমন চাঁদাবাজি স্থানীয়দের মধ্যেও ক্ষোভ তৈরি করেছে। কিন্তু অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও কারা এই চক্রের নেতৃত্বে—এবং প্রশাসন কেন নীরব—সে প্রশ্নের কোনো জবাব এখনো পাওয়া যায়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর