সংবাদ শিরোনাম
দৈনিক আমার কাগজ-এ নিয়োগ পেলেন তৈয়বুর রহমান। বটিয়াঘাটায় ‘গণভোট ২০২৬’ বিষয়ক জনসচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত। দৈনিক বর্তমান বাংলা’র মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি হিসেবে স্বরণ সিং নিয়োগপ্রাপ্ত। খানখানাবাদে গণভোট বিষয়ে গণসচেতনতামূলক প্রদর্শনী ও লিফলেট বিতরণ। টানা তৃতীয়বার শ্রেষ্ঠ এএসআই নির্বাচিত পেকুয়ার সন্তান আবদুল খালেক। প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা মোয়াজ্জেম হোসেন মাসুদের স্মরণে দোয়া মাহফিল করেছে বন্ধুমহল। বিএনপির মনোনয়ন দৌড়ে শেষ পর্যন্ত জয়ী কামরুজ্জামান কামরুল। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। দেশবরেণ্য নেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণসভা করল চট্টগ্রাম সাংবাদিক সংস্থা রাজাবাড়িতে বিএনপির কর্মীদের উদ্যোগে বিএনপির চেয়ারপার্সন সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল
সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:১৬ অপরাহ্ন

থাই–ভিসা ও অবৈধ সিম চক্রের টার্গেটে মেধাবী সাংবাদিক সুজন? স্বচ্ছ তদন্তের দাবিতে সাংবাদিক সমাজ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ / ৪৭ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: শুক্রবার, ২১ নভেম্বর, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

থাই–ভিসা ও অবৈধ সিম চক্রের চাপ ও হয়রানিতে নীলফামারীতে সাংবাদিক নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। জাতীয় দৈনিক আলোর বার্তা এবং The Daily State–এর নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি আল হেদায়েতুল্লা সিদ্দিকী (সুজন)–কে একটি অভিযোগভিত্তিক মামলায় গ্রেফতার ও পরবর্তী ১৯ দিনের কারাভোগ করানোর ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে—থাই, ভিসা ও অবৈধ সিম কারবারে জড়িত একটি সংঘবদ্ধ চক্রের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করায় তাদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হন সুজন। সাংবাদিক সুজন জানান, ২৩ অক্টোবর ২০২৫ সালে কিশোরগঞ্জ উপজেলার চৌধুরীর বাজার এলাকায় সংবাদ সংগ্রহের কথা বলে তাকে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে পূর্বপরিকল্পিতভাবে কয়েকজন ব্যক্তি তাকে আটকে রেখে হেনস্তা করে। পরিস্থিতি জটিল হলে তিনি কিশোরগঞ্জ থানায় ফোন করেন; পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

প্রথমে পুলিশ তাকে সাংবাদিক হিসেবে সম্মান জানিয়েছিল। পরে রহস্যজনকভাবে ‘ভুয়া ডিবি পরিচয়দান’ অভিযোগে আদালতে সোপর্দ করা হয়—যা নিয়ে স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে প্রবল প্রশ্ন উঠেছে। তাদের দাবি, ঘটনাস্থলে সুজনের গলায় বৈধ সাংবাদিক পরিচয়পত্র ছিল, যার ভিডিও প্রমাণও রয়েছে। তবুও যেভাবে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে, তা সুস্পষ্টভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

মামলার এজাহারে বলা হয়, অজ্ঞাত কয়েকজন ব্যক্তি ৫০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়েছে এবং চক্রের এক সদস্যকে মারধর করেছে। কিন্তু সহকর্মী সাংবাদিকদের প্রশ্ন—নীলফামারী থেকে যাওয়া একজন একাকী রিপোর্টার কীভাবে এমন ঘটনায় জড়িত থাকতে পারেন? তাদের মতে, পুরো ঘটনাই সাজানো নাটক, যার মূল লক্ষ্য ছিল তাকে ফাঁসানো ও ভয় দেখানো।

সাংবাদিক সমাজের অভিযোগ—থাই–ভিসা ও অবৈধ সিম চক্রটি এলাকায় নিজেদের প্রভাব বিস্তারের জন্য কখনও ভুক্তভোগীর ভূমিকায়, আবার কখনও সাধারণ মানুষের ছদ্মবেশে মব তৈরি করে বিভ্রান্তি ছড়ায়। সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা, ভয়ভীতি দেখানো এবং অপপ্রচার চালানো তাদের পরিচিত কৌশল।

সাংবাদিক আল হেদায়েতুল্লা সুজন তার কাজের স্বীকৃতি হিসেবে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি মীর হাসমত আলী, একুশে পদকপ্রাপ্ত ড. সুকোমল বড়ুয়া এবং সাবেক তথ্যসচিব সৈয়দ মার্গুব মোর্শেদের কাছ থেকে পুরস্কৃত হয়েছেন। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় তিনি বহুদিন ধরেই পরিচিত ও সম্মানিত।

ঘটনার পর সাংবাদিক সমাজ যৌথ বিবৃতি দিয়ে সুষ্ঠু তদন্ত, মামলার নিরপেক্ষ বিচার এবং চক্রের মূল হোতাদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানায়। তাদের ভাষ্য—“সত্য তুলে ধরার কারণে সাংবাদিকদের যদি এমন হয়রানির শিকার হতে হয়, তবে স্বাধীন সাংবাদিকতা গুরুতর হুমকির মুখে পড়বে। থাই–ভিসা ও অবৈধ সিম চক্রের বিরুদ্ধে এখনই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর