সংবাদ শিরোনাম
দৈনিক বর্তমান বাংলা’র মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি হিসেবে স্বরণ সিং নিয়োগপ্রাপ্ত। খানখানাবাদে গণভোট বিষয়ে গণসচেতনতামূলক প্রদর্শনী ও লিফলেট বিতরণ। টানা তৃতীয়বার শ্রেষ্ঠ এএসআই নির্বাচিত পেকুয়ার সন্তান আবদুল খালেক। প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা মোয়াজ্জেম হোসেন মাসুদের স্মরণে দোয়া মাহফিল করেছে বন্ধুমহল। বিএনপির মনোনয়ন দৌড়ে শেষ পর্যন্ত জয়ী কামরুজ্জামান কামরুল। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। দেশবরেণ্য নেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণসভা করল চট্টগ্রাম সাংবাদিক সংস্থা রাজাবাড়িতে বিএনপির কর্মীদের উদ্যোগে বিএনপির চেয়ারপার্সন সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল বাঁশখালী ডিগ্রি কলেজ জামে মসজিদ পুনর্নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন সম্পন্ন। সরিষাবাড়ীতে প্রকৃতি ও পরিবেশ সুরক্ষায় পার্থেনিয়াম উদ্ভিদ নির্মুল অভিযান। 
সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:৪১ অপরাহ্ন

গোদাগাড়ীতে একের পর এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগে জড়িত ফারুক চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আফতাব উদ্দিন আন্ঠু

রিপোর্টারের নাম / ২৮৫ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: শনিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিনিধি

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার ৭নং দেওপাড়া ইউনিয়নের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আফতাব উদ্দিন আন্ঠু’র বিরুদ্ধে উঠেছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাবেক এমপি ফারুক চৌধুরীর প্রত্যক্ষ নির্দেশে আন্ঠু ২০১৮ সালের একতরফা নির্বাচনে নিজ কেন্দ্র দখল করে জাল ভোট ও সিল মেরে বিজয় নিশ্চিত করেন। নির্বাচনী গণতন্ত্রকে পদদলিত করে এভাবে ক্ষমতায় আসার বিষয়টি আজো এলাকাবাসীর মনে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি করে রেখেছে।

শুধু নির্বাচন নয়—আন্দোলন সংগ্রামের সময়ও তার বিরুদ্ধে রয়েছে ভয়ঙ্কর অভিযোগ। ছাত্র আন্দোলনের সময় প্রতিবাদরত তরুণদের দমন করতে তিনি প্রকাশ্যে অস্ত্র হাতে নিয়ে মাঠে নামেন এবং বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখে ধুলো দিয়ে দিনের পর দিন এসব কাজ চালিয়ে গেছেন তিনি।

সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর অভিযোগটি আসে তার নিজ গ্রাম নিমতলা থেকে। অভিযোগ রয়েছে, ফারুক চৌধুরীর নির্দেশেই আন্ঠু সেখানে ৪৩টি মহিষ ছিনতাই করেন। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা এখনো ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত।

কিছু প্রভাবশালি বিএনপি নেতাদের সহযোগিতায় তিনি এখনো ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে বহাল আছে। স্থানীয়রা দাবি করছেন, এমন ব্যক্তির ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারে বসে থাকার ন্যূনতম নৈতিক অধিকার নেই। প্রশাসনের কাছে এলাকাবাসীর জোর দাবি—বিষয়গুলো তদন্ত করে দ্রুত আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হোক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর