সংবাদ শিরোনাম
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকীতে বগুড়ায় জিয়া সাইবার ফোর্সের উদ্যোগে খতমে কোরআন ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত। দৈনিক আমার কাগজ-এ নিয়োগ পেলেন তৈয়বুর রহমান। বটিয়াঘাটায় ‘গণভোট ২০২৬’ বিষয়ক জনসচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত। দৈনিক বর্তমান বাংলা’র মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি হিসেবে স্বরণ সিং নিয়োগপ্রাপ্ত। খানখানাবাদে গণভোট বিষয়ে গণসচেতনতামূলক প্রদর্শনী ও লিফলেট বিতরণ। টানা তৃতীয়বার শ্রেষ্ঠ এএসআই নির্বাচিত পেকুয়ার সন্তান আবদুল খালেক। প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা মোয়াজ্জেম হোসেন মাসুদের স্মরণে দোয়া মাহফিল করেছে বন্ধুমহল। বিএনপির মনোনয়ন দৌড়ে শেষ পর্যন্ত জয়ী কামরুজ্জামান কামরুল। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। দেশবরেণ্য নেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণসভা করল চট্টগ্রাম সাংবাদিক সংস্থা
মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:১১ পূর্বাহ্ন

রাজনগরের ফতেপুরে কুশিয়ারা নদীর তাণ্ডব, বর্ষা এলেই আতঙ্কে দিন কাটে গ্রামবাসীর

জিয়াউল ইসলাম জিয়া বার্তা সম্পাদক / ১৬ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: রবিবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: মোঃ জালাল উদ্দিন

মৌলভীবাজার জেলার রাজনগর উপজেলার ১ নম্বর ফতেপুর ইউনিয়নের কুশিয়ারা নদীর তীরে অবস্থিত প্রায় দশটি গ্রামের মানুষ ভয়াবহ নদীভাঙনের শিকার হচ্ছেন। প্রতি বছর বর্ষা এলেই নদীভাঙনের আতঙ্কে দিন কাটে এলাকাবাসীর। বছরের পর বছর ধরে চলমান এই ভাঙনে বহু পরিবার তাদের বসতভিটা ও ফসলি জমি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ফতেপুর ইউনিয়নের শাহাপুর, বেড়কুরি, মোল্লাবাড়ি, জাহিদপুর, আব্দুল্লাহপুর, চরকারপার ও কাশিমপুরসহ অন্তত দশটি গ্রাম বর্তমানে নদীভাঙনের চরম ঝুঁকিতে রয়েছে।

এসব গ্রামের প্রায় শতাধিক পরিবার ইতোমধ্যে তাদের ভিটেমাটি হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। অনেক পরিবার এমন অবস্থায় পড়েছে যে, তাদের নিজস্ব কোনো থাকার জায়গা নেই; অন্যের জমিতে অস্থায়ীভাবে ঘর তুলে দিন কাটাতে হচ্ছে।

ভুক্তভোগী মিরাশ মিয়া অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে নদীভাঙন চললেও এখন পর্যন্ত কোনো স্থানীয় জনপ্রতিনিধি কিংবা সরকারি কর্মকর্তার কার্যকর উপস্থিতি দেখা যায়নি।
এ বিষয়ে ১ নম্বর ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য এমদাদুল হক টিটু বলেন, “আমি এ সমস্যা সম্পর্কে সাবেক উপজেলা প্রশাসনকে জানিয়েছিলাম এবং বর্তমান উপজেলা প্রশাসনকেও অবহিত করেছি। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।”

অন্যদিকে মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী খালেদ বিন অলিদ জানান, “ফতেপুর ইউনিয়ন ও মনমুখ ইউনিয়নসহ মোট প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকায় নদীভাঙন রয়েছে। আমি নিজে সরেজমিনে গিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছি এবং একটি কাজের ড্রাফট প্রস্তুত করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিয়েছি। তবে এখনো ফান্ড না আসায় কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি।”

এদিকে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে আসন্ন বর্ষায় নদীভাঙন আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী। তারা অবিলম্বে নদী রক্ষা বাঁধ নির্মাণসহ স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর