সংবাদ শিরোনাম
দৈনিক আমার কাগজ-এ নিয়োগ পেলেন তৈয়বুর রহমান। বটিয়াঘাটায় ‘গণভোট ২০২৬’ বিষয়ক জনসচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত। দৈনিক বর্তমান বাংলা’র মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি হিসেবে স্বরণ সিং নিয়োগপ্রাপ্ত। খানখানাবাদে গণভোট বিষয়ে গণসচেতনতামূলক প্রদর্শনী ও লিফলেট বিতরণ। টানা তৃতীয়বার শ্রেষ্ঠ এএসআই নির্বাচিত পেকুয়ার সন্তান আবদুল খালেক। প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা মোয়াজ্জেম হোসেন মাসুদের স্মরণে দোয়া মাহফিল করেছে বন্ধুমহল। বিএনপির মনোনয়ন দৌড়ে শেষ পর্যন্ত জয়ী কামরুজ্জামান কামরুল। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। দেশবরেণ্য নেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণসভা করল চট্টগ্রাম সাংবাদিক সংস্থা রাজাবাড়িতে বিএনপির কর্মীদের উদ্যোগে বিএনপির চেয়ারপার্সন সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল
সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:১৬ অপরাহ্ন

বিএনপির সিনিয়র নেতার নাম ভাঙিয়ে দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছেন আওয়ামীলীগ নেতা

মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম চট্টগ্রাম বাঁশখালী প্রতিনিধি। / ৩৮ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

বাঁশখালী(চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

পৌরসভা ছাত্রদল নেতা মোঃ হাসান চৌধুরী বলেন, বাঁশখালী পৌরসভা ৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সেক্রেটারী কথিত ব্যবসায়ি মুখোশধারী জলদস্যু মোস্তফা আলী, আওয়ামীলীগের ১৪ বছরের জোর জুলুমের প্রত্যক্ষ সহযোগী, আওয়ামীলীগ নেতা ও চাম্বল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মুজিবুল হক এর সাথে যুগসাজশে বিএনপি জামায়াতের নেতাকর্মীদের মিথ্যা মামলায় হয়রানি, মাদকের ব্যবসা, জলদস্যু, চাঁদাবাজি’সহ এমন কোন ঘৃণ্য অপকর্ম নেই সে করেনি।

বাঁশখালী পৌরসভা ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা আলী পৌরসভা বিএনপির এক সিনিয়র নেতার ছায়াতলে থেকে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ান। বিগত সরকারের আমলে বিএনপি জামায়াতের নেতাকর্মীদের নির্যাতন ও ভোট ডাকাতির মাস্টারমাইন্ড এবং বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ছাত্রদের উপর নির্যাতনকারী মোস্তফা আলী প্রশাসনকে ম্যানেজ করে দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছে, চালিয়ে যাচ্ছে আওয়ামী পুনর্বাসন নামে তার পকেট পূজা করার ব্যবসা।

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় আওয়ামীলীগ নেতা কর্মীদের সাথে মিছিল সহকারে অবস্থানে মোস্তফা আলী

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্বৈরাচারী হাসিনার দোসর চট্টগ্রাম-১৬ আসনের সাবেক এমপি মোস্তাফিজুর রহমান এবং চাম্বল ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতা মুজিব চেয়ারম্যান এর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন মোস্তফা আলী। সেই সুবাদে ফিসিং বোটের নাম দিয়ে বিগত সরকারের আমলে অসংখ্য জামায়াত ও বিএনপির দলীয় কর্মীকে পুলিশী হয়রানীর মাধ্যমে জলদস্যু, মাদক ব্যবসা ও চাঁদা আদায় করে রাতারাতি কোটিপতি বনে যান তিনি। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় আওয়ামীলীগ, ছাত্রলীগ নেতাদের সাথে অবস্থান ও মিছিল করেন এবং ছাত্র আন্দোলনের বিরুদ্ধে উসকানি মূলক তার হুমকি স্বরুপ বক্তব্যে স্বৈরাচারী আওয়ামীলীগ, ছাত্রলীগ নেতাদের উৎসাহ ও সাহস জুগিয়ে বৈষম্য বিরোধী ছাত্রদের উপর নির্যাতনের ঘটনায় সরাসরি ও পরোক্ষভাবে জড়িত ছিল এই মোস্তফা আলী। এছাড়াও আওয়ামীলীগ নেতা পরিচয়ে শেখেরখীলে কয়েকটি বরফ মিলের মালিকানা হাতিয়ে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে নেন তিনি।

বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের নৌকার প্রার্থী মোস্তাফিজ ও উপজেলা নির্বাচনে খোরশেদ আলমের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেন মোস্তফা আলী।

একজন আওয়ামী ক্যাডার কিসের ভিত্তিতে কোন কুটির জোরে বাঁশখালীতে ফিসিং ব্যবসার নামে মাদক ও চোরাচালান করে আওয়ামীলীগ পুনর্বাসনের কাজ কাজ করে যাচ্ছে? মোস্তফা আলী জুলাই-আগষ্টে ছাত্র আন্দোলনের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য অবস্থান নেওয়া আওয়ামী ক্যাডার, ৫ ই আগস্টের পরবর্তী বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিরুদ্ধে অবস্থানকারী হিসেবে একজন এজহারনামিয় আসামি হয়ে সে কিভাবে কাদের সহযোগিতায় সরাসরি বিএনপি জামাতের নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা হয়রানিতে ইন্ধন দেয়? এই প্রশ্ন বাঁশখালী প্রশাসন ও বাঁশখালী বিএনপি জামাতের সিনিয়র নেতৃবৃন্দের কাছে।

মোস্তফা আলীকে অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে সরকারের বিরুদ্ধে তার ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে জিজ্ঞেসবাদ করা আর ফিশিং ব্যবসার নামে ছাত্র ও যুব সমাজ ধ্বংসকারী গোপনে ইয়াবা সরবরাহের বিষয়ে তদন্ত করার দাবী জানিয়েছে এলাকাবাসী ও বাঁশখালী ছাত্রসমাজ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর