সংবাদ শিরোনাম
চট্টগ্রাম বেস্ট ফিজিওথেরাপি হসপিটাল রংপুরের ধাপ শিমুলবাগে মাদকবিরোধী অভিযানে একজন গ্রেফতার হাজীরহাট থানার বিশেষ অভিযানে কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী আঃ রাজ্জাক গ্ৰেফতার  স্পেন কাতালোনিয়া বিএনপির (আংশিক) কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হলেন তরুণ নেতা লায়েবুর রহমান // Young BNP Leader Layebur Rahman Appointed Organizing Secretary of BNP Catalonia (Partial Committee), Spain স্পেন কাতালোনিয়া বিএনপির কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হলেন তরুণ নেতা লায়েবুর রহমান // Young BNP Leader Layebur Rahman Appointed Organizing Secretary of BNP Catalonia (Partial Committee), Spain চামড়া শিল্প রক্ষায় প্রশংসনীয় উদ্যোগ — আঞ্জুমানে আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়া মাদ্রাসা ট্রাস্টকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা; *ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা বাণী** হজ্ব ও মদিনা শরীফ জিয়ারতের ফজিলত: মাওলানা মোঃ জাকারিয়া খাঁন সিরাজী চুয়েটের প্রকৌশলী মকবুল হোসেনের ইশারায় সাংবাদিক পরিবার ভিটেমাটি ছাড়া রিয়াদে বাংলাদেশ প্রবাসী অধিকার পরিষদের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে শীর্ষক আলোচনা সভা;
শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ০৪:২১ অপরাহ্ন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তরুণ সাংবাদিকের নির্মম হত্যা: বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)-এর তীব্র নিন্দা ও হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি।

রিপোর্টারের নাম / ৫৮ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২৬
{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"transform":3},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

 

নিজস্ব প্রতিবেদক:– ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ বিকেলে এক তরুণ ও সাহসী সাংবাদিককে পরিকল্পিতভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

নিহত সাংবাদিকের নাম দ্বীন ইসলাম। তিনি কসবা উপজেলার শিমরাইল গ্রামের মধ্যপাড়ার শফিকুল ইসলামের ছেলে। মৃত্যুর আগে দ্বীন ইসলাম স্থানীয় সাংবাদিক সমাজে প্রতিবাদী ও ন্যায়পরায়ণ চরিত্রের পরিচয় বহনকারী একজন কৃতিসাধক সাংবাদিক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তিনি সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে কথা বলার জন্য বিশেষভাবে সুপরিচিত ছিলেন।

কসবা থানার ওসি নাজনীন সুলতানা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে কে বা কারা এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করেছে তা এখনও সঠিকভাবে জানা যায়নি। পুলিশ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে দ্রুত কার্যক্রম পরিচালনা করছে এবং সম্ভাব্য সব প্রমাণ সংগ্রহের জন্য তদন্ত শুরু করেছে।

এই নৃশংস হত্যার প্রতিবাদে বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C) কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি খান সেলিম রহমান ও সাধারণ সম্পাদক লায়ন মোঃ মাহিদুল হাসান সরকার স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছেন।

বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)–এর সভাপতি খান সেলিম রহমান বলেন, “ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় তরুণ সাংবাদিক দ্বীন ইসলামকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা স্বাধীন সাংবাদিকতা ও মতপ্রকাশের ওপর সরাসরি আঘাত। একজন সাহসী সাংবাদিক, যিনি দীর্ঘদিন ধরে মাদকবিরোধী কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন, তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানাই। রাষ্ট্র ও প্রশাসনের প্রতি আমাদের জোর দাবি—এই হত্যার স্বচ্ছ তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে এবং দোষীদের কঠোর শাস্তি দিতে হবে। এ ধরনের হত্যাকাণ্ড কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের প্রাথমিক দায়িত্ব।”

বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)–এর সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাহিদুল হাসান সরকার বলেন, “দ্বীন ইসলামের হত্যাকাণ্ড প্রমাণ করে সত্যের পক্ষে কথা বলা কতটা ঝুঁকিপূর্ণ। মাদকবিরোধী অবস্থানের কারণে তাকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এই বর্বরোচিত ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানাই। রাষ্ট্র ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দ্রুত দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে হত্যাকারীদের আইনের আওতায় আনতে হবে। যদি সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না করা হয়, তবে এটি গণমাধ্যমে চরম অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করবে এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলবে।”

প্রতিবেদন অনুসারে, নিহত দ্বীন ইসলাম তালাশ ক্রাইম দৃষ্টি অনলাইন পেইজ পরিচালনা করতেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মাদক ও বেআইনি কার্যকলাপের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। নিরাপত্তার স্বার্থে কিছুদিন ধরে কুমিল্লা শহরে ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন। ঈদের সময় পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর জন্য বাড়িতে এসেছিলেন।

B.C.P.C. নেতৃবৃন্দ জানান, দ্বীন ইসলামের পূর্ব শত্রুতা সম্পন্ন ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেফতার করা গেলে হত্যার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন সম্ভব। হত্যাকারীরা শাস্তি না পেলে এটি শুধু স্থানীয় নয়, বরং জাতীয় পর্যায়েও সাংবাদিক সমাজে একটি অমানবিক দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করবে।

B.C.P.C. নেতৃবৃন্দ সকল স্তরের রাষ্ট্র ও প্রশাসনের কাছে তীব্র হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন। তারা বলেন, “দ্বীন ইসলামের হত্যাকাণ্ড শুধুমাত্র একটি ব্যক্তি হত্যা নয়; এটি স্বাধীন সাংবাদিকতা ও মতপ্রকাশের ওপর একটি জঘন্য আঘাত। আমরা দাবি জানাই—সরকার, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অবিলম্বে হত্যাকারীদের সনাক্ত করে গ্রেফতার করুন এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করুন। সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে গণমাধ্যমে স্বাধীনতা ও স্বচ্ছতা স্থায়ীভাবে হুমকির মুখে পড়বে।”

এই হত্যাকাণ্ডের পর থেকে স্থানীয় ও জাতীয় সাংবাদিক সমাজে শোকের ছায়া নেমেছে। সাংবাদিকরা বিভিন্ন মাধ্যমে এই নৃশংস হত্যার তীব্র নিন্দা প্রকাশ করছেন।

উপসংহারে বলা যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় তরুণ সাংবাদিক দ্বীন ইসলামকে পিটিয়ে হত্যা করা একটি পরিকল্পিত, নৃশংস ও কাপুরুষোচিত হত্যাকাণ্ড।

এটি স্বাধীন সাংবাদিকতা ও সত্যের পক্ষে কথা বলার ওপর সরাসরি আঘাত। বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C) কঠোর প্রতিবাদ, দ্রুত হত্যাকারীদের গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছে। রাষ্ট্র ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ছাড়া এই হত্যার রহস্য উদঘাটন সম্ভব নয়।

দেশের গণমাধ্যম ও সাংবাদিক সমাজ আশা করছে—দ্বীন ইসলামের হত্যায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে এবং সাংবাদিকদের জীবন ও স্বাধীন মতপ্রকাশের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর