সংবাদ শিরোনাম
নারী উদ্যোক্তাদের উন্নয়ন শীর্ষক আলোচনা সভা ও স্বপ্নজয়ী নারী সম্মাননা ২০২৬ প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত জামালপুরের বকশীগঞ্জে মিনি ম্যারাথন অনুষ্ঠিত হয়েছে চরম্বা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চান আইনজীবী শফিকুল আলম (লিটন) সুরঝংকার একাডেমির সভাপতির মাতার মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বাংলা নিউজ মিডিয়ার কর্ণধার সোহেল সরকারের বড় ছেলে সালমান সরকারের ৪র্থ জন্মবার্ষিকী উদযাপিত বিএনপির ক্যাডাররা নিজেদের দলের লোকদেরও হত্যা করছে: নাহিদ ইসলাম সুনামগঞ্জ-বিশ্বম্ভরপুর সড়কে ৮৭ কোটি টাকার কাজে অনিয়মের অভিযোগ, পরিদর্শনে এমপি নুরুল ইসলাম সীমান্তের অবৈধ বিড়ি বাণিজ্যে কারা জড়িত, অনুসন্ধানের দাবি কবি আবুল বশর আনসারীর লেখনীতে সিলেটের শেকড়ের প্রতি গভীর মমত্ববোধ ফুটে উঠেছে: চিত্রনায়ক হেলাল খান প্রবাসে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক অধ্যাপক আবুল হাশেমকে শেষ বিদায়: বৃটেন কমিউনিটির শোক
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৩৩ অপরাহ্ন

খুলনায় ভয়ঙ্কর প্রতারণা: জালিয়াতির অভিযোগে অভিযুক্ত  ব্যক্তি নিজ পরিবার সাথে প্রতারণা।

সহকারী বার্তা সম্পাদক- ছাদেক আহমাদ। / ১২৯ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬

খুলনায় ভয়ঙ্কর প্রতারণা: জালিয়াতির অভিযোগে অভিযুক্ত  ব্যক্তি নিজ পরিবার সাথে প্রতারণা।

বিশেষ প্রতিনিধি, খুলনা_

খুলনায় জালিয়াতি ও প্রতারণার একাধিক অভিযোগে অভিযুক্ত এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এসব ঘটনায় তার নিজ পরিবারই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় প্রশাসনও বিভ্রান্তির মধ্যে পড়েছে।
‎অভিযুক্ত আব্দুল্লাহ আল মাসুদ (৪৬), পিতা মৃত এম এ কুদ্দুস, মাতা হোসনে আরা বেগম। তার ঠিকানা খুলনার মিউনিসিপাল ট্যাংক রোড এলাকার এপি হোল্ডিং নং ৫০। পুলিশ সূত্রে তার এই ঠিকানা নিশ্চিত করা হয়েছে।
‎জানা যায়, একসময় তিনি বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন এবং লেফটেন্যান্ট কমান্ডার পদে উন্নীত হন। তবে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ২০১৯ সালে তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়।
‎চাকরি হারানোর পর থেকেই তিনি বিভিন্ন প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, তিনি বাবা-মায়ের স্বাক্ষর জাল করে সম্পত্তি দখলের চেষ্টা করেন। এ জন্য একটি ভুয়া সমঝোতা চুক্তিপত্রও তৈরি করা হয়।
‎তদন্তে জানা গেছে, ব্যবহৃত স্ট্যাম্পগুলো ২০২০ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি খুলনা ট্রেজারিতে আসে এবং ৪ মার্চ ক্রয় করা হয়। অথচ সংশ্লিষ্ট চুক্তিপত্রের তারিখ দেওয়া হয় ১ জানুয়ারি ২০২০—যা ঘটনাটিকে সন্দেহজনক করে তোলে। এ বিষয়ে দায়ের হওয়া মামলার তদন্তে স্বাক্ষর জালিয়াতির প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে।
‎এছাড়া, অভিযোগ রয়েছে যে তিনি নিজের ভাই-বোন এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে মিথ্যা অভিযোগ দাখিল করে হয়রানি করে আসছেন। তার বোন ও বোনের স্বামী সরকারি চাকরিজীবী এবং ভাই একজন মেরিন ইঞ্জিনিয়ার।
‎ভুক্তভোগীদের দাবি, জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পর তিনি আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠেন। এমনকি নিজের পরিবারের সদস্যদের বাসায় ডাকাতির নাটক সাজানো এবং শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে।
‎এছাড়া বিভিন্ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা, বিচার বিভাগীয় ব্যক্তি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধেও তিনি একাধিক মিথ্যা অভিযোগ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় সংশ্লিষ্ট মহলে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে।
‎আরও জানা যায়, তিনি বিভিন্ন সময় ভুয়া পরিচয়ে উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের নাম ব্যবহার করে ফোনে প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করতেন। পাশাপাশি অনলাইন মাধ্যমে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করে তা বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানোর মাধ্যমেও চাপ সৃষ্টি করতেন।
‎অভিযোগ রয়েছে, ভুয়া কাগজপত্র ব্যবহার করে তিনি একটি বড় আর্থিক লেনদেনের চেষ্টাও করেন, যা পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বাতিল করে।
‎স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
‎


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর