সংবাদ শিরোনাম
বাংলা নিউজ মিডিয়ার কর্ণধার সোহেল সরকারের বড় ছেলে সালমান সরকারের ৪র্থ জন্মবার্ষিকী উদযাপিত বিএনপির ক্যাডাররা নিজেদের দলের লোকদেরও হত্যা করছে: নাহিদ ইসলাম সুনামগঞ্জ-বিশ্বম্ভরপুর সড়কে ৮৭ কোটি টাকার কাজে অনিয়মের অভিযোগ, পরিদর্শনে এমপি নুরুল ইসলাম সীমান্তের অবৈধ বিড়ি বাণিজ্যে কারা জড়িত, অনুসন্ধানের দাবি কবি আবুল বশর আনসারীর লেখনীতে সিলেটের শেকড়ের প্রতি গভীর মমত্ববোধ ফুটে উঠেছে: চিত্রনায়ক হেলাল খান প্রবাসে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক অধ্যাপক আবুল হাশেমকে শেষ বিদায়: বৃটেন কমিউনিটির শোক ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনায় এসএসএস-এর ‘বেস্ট পারফরম্যান্স অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ অনুষ্ঠিত High Rollers Question Whether Messi Casino Bonus Offers Beat Competitor Sites রিয়াদে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিআইএস ইংরেজি শাখার গভর্নিং বডির নির্বাচন বয়কটের ঘোষণা বিএনপি প্রার্থীদের* বকশীগঞ্জে মিনি ম্যারাথন অনুষ্ঠিত।
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩৯ পূর্বাহ্ন

ডালার পাড়ে বালু খেকোদের দৌরাত্ম্য, প্রশাসনের নীরবতা

সহকারী বার্তা সম্পাদক- ছাদেক আহমাদ। / ৮০ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

আমির হোসেন_স্টাফ রিপোর্টার,

‎সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের যাদুকাটা নদীতে চলছে ইজারা বহির্ভূত এলাকা ডালার পাড়ে বালু খেকোঁ চিহ্নিত চাঁদাবাজ বোরহান বাহিনীর তান্ডবলীলা।
‎প্রশাসনের ব্যর্থতার কারনে নদীর পাড় কাটা বন্ধ করতে এক চাদাঁবাজকে গণধোলাই দিল পাবলিক।
‎জানা যায় যাদুকাটা নদীর বালু খেকো ড্রেজার মাষ্টার বুরহান বাহিনীর প্রধান কেডার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার বাতেরটেক এলাকার বাসিন্দা  রহমত আলীর ছেলে তাহিরপুর থানার একাধিক  বিভিন্ন মামলার  আসামি  টেবলেট কালা( ইয়াবা কালা)। তিনি যাদুকাটা অধৈত্ব্য মন্দিরের জায়গায় অবৈধ সেবমেশিন ও মিনি ড্রেজার মেশিন দিয়ে পণাঁতিত্ব্যের পাশে ডালার পাড়ে এলাকায়  চাঁদাবাজি ও বালু উত্তোলন করতে পাড় কাটতে গিয়ে  গণধোলাইয়ে শিকার হয়ে আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এছাড়াও জানা যায়  বুরহান উদ্দিনের নেতৃত্বে ইজারা বিহীন যাদু কাটা নদীর ডালার পাড়ের হিন্দু সম্প্রদায়ের জায়গা ও গ্রামবাসী চলাচলের রাস্তার পাশে, পাড় কেটে নিয়ে যাচ্ছে প্রতি নিয়ত লাখ লাখ টাকার বালু। যার ফলে সরকারের ক্ষতি হচ্ছে কোটি কোটি টাকার উন্নয়নের একমাত্র বিন্নাকুলি, আনন্দ বাজার,লাউরেঘর বাজারের যাতায়াতের রাস্থাটি। শুধু তাই নয় ঐতিহ্যবাহী একমাত্র অধৈত্ব্য মন্দিরের আনুমানিক ২৫ কোটি টাকার উন্নয়ণ প্রকল্পের বিল্ডিংগুলি নদীর গর্ভে বিলীন হওয়া সম্ভাবনা রয়েছে। এই রাস্তা ও মন্দির রক্ষা করার জন্য বিভিন্ন পেপার পত্রিকাসহ টেলিভিশনে একাধিক ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ হলেও  জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে কার্যকর কোন ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছেনা এমনটাই জানান স্থানীয়রা। মাঝে মধ্যে লোক দেখানো অভিযান পরিচালনা করে মোবাইল কোর্ট এর মাধ্যমে নিরীহ দিন মজুর বারকি শ্রমিকদের ধরে জেল জরিমানা করা হলেও ধরা ছোঁয়ার বাহিরে বরাবরের মতোই থেকে যাচ্ছে বোরহান বাহিনী ও তার লোকেরা। প্রশাসন কেন বালু খেঁকো ও যাদুকাটা নদীর চিহ্নত চাদাঁবাজ  পরিবেশসহ  প্রায় ১ ডজন মামলার আসামি  বোরহান উদ্দিন ও তার কেডারদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে পারছেন না সেটাই এখন ভাবনার বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে? তবে কি প্রশাসনের যোগ সাজসে চলছে বোরহান বাহিনীর বালু লুঠন? এমনটি ধারণা সাধারণ মানুষের মনে? এ ব্যপারে জেলা প্রশাসকের মোবাইল ফোনে একাধিক বার ফোন করা হলেও ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
‎ তবে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক  সুনজিত কুমার চন্দের কাছে বিষয়টি জানালে তিনি বলেন অবৈধভাবে ইজারা বহির্ভূত এলাকা থেকে যাতে কেউ বালু উত্তোলন করতে নাপারে সেই জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজ করছেন বলে তিনি জানান।এব্যাপারে সুনামগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার এবিএম মোহাম্মদ জাকির হোসেন (পিপিএম) এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমাদের পুলিশ ডিপার্টমেন্টে বালু খেকোঁদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা চলমান রয়েছে নতুন করে কেউ যদি অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
‎


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর