সংবাদ শিরোনাম
চট্টগ্রাম বেস্ট ফিজিওথেরাপি হসপিটাল রংপুরের ধাপ শিমুলবাগে মাদকবিরোধী অভিযানে একজন গ্রেফতার হাজীরহাট থানার বিশেষ অভিযানে কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী আঃ রাজ্জাক গ্ৰেফতার  স্পেন কাতালোনিয়া বিএনপির (আংশিক) কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হলেন তরুণ নেতা লায়েবুর রহমান // Young BNP Leader Layebur Rahman Appointed Organizing Secretary of BNP Catalonia (Partial Committee), Spain স্পেন কাতালোনিয়া বিএনপির কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হলেন তরুণ নেতা লায়েবুর রহমান // Young BNP Leader Layebur Rahman Appointed Organizing Secretary of BNP Catalonia (Partial Committee), Spain চামড়া শিল্প রক্ষায় প্রশংসনীয় উদ্যোগ — আঞ্জুমানে আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়া মাদ্রাসা ট্রাস্টকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা; *ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা বাণী** হজ্ব ও মদিনা শরীফ জিয়ারতের ফজিলত: মাওলানা মোঃ জাকারিয়া খাঁন সিরাজী চুয়েটের প্রকৌশলী মকবুল হোসেনের ইশারায় সাংবাদিক পরিবার ভিটেমাটি ছাড়া রিয়াদে বাংলাদেশ প্রবাসী অধিকার পরিষদের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে শীর্ষক আলোচনা সভা;
শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ০৬:৩১ অপরাহ্ন

রাজশাহীতে স্ত্রীসহ সহকারী পুলিশ সুপারের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

সহকারী বার্তা সম্পাদক- ছাদেক আহমাদ / ৪৮ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

মোঃ সুজন আহাম্মেদ বিভাগীয় চিফ রাজশাহীঃ

রাজশাহীতে সম্পদ গোপন ও জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে এক পুলিশ কর্মকর্তা ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
সোমবার দুদকের সহকারী পরিচালক মো. ইসমাইল হোসেন রাজশাহী কার্যালয়ে মামলার এজাহার দায়ের করেন। মামলায় গোদাগাড়ী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মীর্জা মো. আব্দুস ছালাম (৫৭) ও তার স্ত্রী শাহানা পারভীন (৪৮)কে আসামি করা হয়েছে।
এজাহার সূত্রে জানা গেছে, শাহানা পারভীন ২০২৪ সালের আগস্টে দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে ২১ লাখ ৭৪ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য উল্লেখ করেন। কিন্তু দুদকের অনুসন্ধানে তার নামে ৯৫ লাখ ১৬ হাজার টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি প্রায় ৭৩ লাখ ৪২ হাজার টাকার সম্পদ গোপন করে মিথ্যা তথ্য প্রদান করেছেন।
তদন্তে আরও বলা হয়, শাহানা পারভীনের বৈধ আয় ৭ লাখ ১৪ হাজার টাকা। অথচ পারিবারিক ব্যয়সহ মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ২ লাখ ৮০ হাজার ৭৫০ টাকা। ফলে প্রায় ৯৫ লাখ ৬৬ হাজার ৭৫০ টাকার সম্পদ জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে দুদকের দাবি।
এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, এএসপি মীর্জা মো. আব্দুস ছালাম সরকারি পদে থেকে ক্ষমতার অপব্যবহার করে দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ স্ত্রীর নামে সম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়তা করেছেন।
আসামিদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় মামলা করা হয়েছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে এএসপি মীর্জা মো. আব্দুস ছালাম বলেন, মামলার অভিযোগ সঠিক নয়। তার দাবি, তাদের বৈধ আয়ের উৎস রয়েছে এবং নিয়মিত কর প্রদান করা হয়েছে। উল্লেখিত সম্পদ তার স্ত্রীর পারিবারিক সম্পত্তি।
এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর